বান্দরবানের লামা উপজেলার ৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন কোম্পানি। ইউনিয়নের দুর্গত এলাকার মানুষের কষ্ট লাঘবে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে তিনি এই মানবিক ত্রাণ সহায়তা কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই)সরেজমিনে দেখা যায় , ইউনিয়নের বন্যাদুর্গত ৭, ৮ ও ৯ নং এই তিনটি ওয়ার্ডের ৪০০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে তিনি পর্যায়ক্রমে এই ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন।
বিতরণ কার্যক্রমে শুকনো ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর পাশাপাশি জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে নগদ অর্থও প্রদান করা হয়। বিতরণকৃত সহায়তার মধ্যে ছিল চাল, ডাল, আলু, তেল, পেঁয়াজ, খাবার স্যালাইন ও শুকনো খাবার। দুর্যোগ কবলিত প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে নেজাম উদ্দিন কোম্পানি নিজে উপস্থিত হয়ে বন্যাকবলিত মানুষের শারীরিক ও পারিবারিক খোঁজখবর নেন এবং অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে এই ত্রাণসামগ্রী তাদের হাতে তুলে দেন।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুর্যোগের এই কঠিন মুহূর্তে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এবং তাদের খোঁজখবর নিয়ে মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন কোম্পানি এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। চলমান সংকটে এ ধরণের উদ্যোগ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে বড় ধরনের স্বস্তি ও আশার আলো জুগিয়েছে। তারা ভবিষ্যতেও তাঁর এমন জনকল্যাণমুখী ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
ত্রাণ সহায়তা পেয়ে অত্যন্ত আবেগাপ্লুত ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপকারভোগী সাধারণ মানুষ। প্রতিকূল আবহাওয়া ও ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দিনরাত পরিশ্রমের মাধ্যমে যারা এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সফল করেছেন, তারা নেজাম উদ্দিন কোম্পানিসহ তাঁর সহযোগী সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানের লামা উপজেলার ৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন কোম্পানি। ইউনিয়নের দুর্গত এলাকার মানুষের কষ্ট লাঘবে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে তিনি এই মানবিক ত্রাণ সহায়তা কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই)সরেজমিনে দেখা যায় , ইউনিয়নের বন্যাদুর্গত ৭, ৮ ও ৯ নং এই তিনটি ওয়ার্ডের ৪০০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে তিনি পর্যায়ক্রমে এই ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন।
বিতরণ কার্যক্রমে শুকনো ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর পাশাপাশি জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে নগদ অর্থও প্রদান করা হয়। বিতরণকৃত সহায়তার মধ্যে ছিল চাল, ডাল, আলু, তেল, পেঁয়াজ, খাবার স্যালাইন ও শুকনো খাবার। দুর্যোগ কবলিত প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে নেজাম উদ্দিন কোম্পানি নিজে উপস্থিত হয়ে বন্যাকবলিত মানুষের শারীরিক ও পারিবারিক খোঁজখবর নেন এবং অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে এই ত্রাণসামগ্রী তাদের হাতে তুলে দেন।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুর্যোগের এই কঠিন মুহূর্তে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এবং তাদের খোঁজখবর নিয়ে মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন কোম্পানি এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। চলমান সংকটে এ ধরণের উদ্যোগ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে বড় ধরনের স্বস্তি ও আশার আলো জুগিয়েছে। তারা ভবিষ্যতেও তাঁর এমন জনকল্যাণমুখী ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
ত্রাণ সহায়তা পেয়ে অত্যন্ত আবেগাপ্লুত ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপকারভোগী সাধারণ মানুষ। প্রতিকূল আবহাওয়া ও ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দিনরাত পরিশ্রমের মাধ্যমে যারা এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সফল করেছেন, তারা নেজাম উদ্দিন কোম্পানিসহ তাঁর সহযোগী সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

আপনার মতামত লিখুন