প্রতিদিনের বান্দরবান

পানি কমছে সাংগু-মাতামুহুরীর, স্বাভাবিক হচ্ছে বান্দরবান



পানি কমছে সাংগু-মাতামুহুরীর, স্বাভাবিক হচ্ছে বান্দরবান
ছবি: প্রতিদিনের বান্দরবান

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ শেষে রোববার (১২ জুলাই) রাত থেকে বৃষ্টিপাত কমে আসায় বান্দরবান জেলার সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। এর ফলে জেলার প্লাবিত বিভিন্ন এলাকা থেকে ধীরে ধীরে বন্যার পানি নেমে যাচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল থেকে বান্দরবানের সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

 আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবানে ১১৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে বাসিন্দারা তাদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাদা পরিষ্কার করতে শুরু করেছেন। সেই সাথে ভিজে যাওয়া আসবাবপত্র ও মালামাল শুকানোর চেষ্টা করছেন তারা।

এদিকে রাস্তা থেকে পানি সরে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের সরাসরি দূরপাল্লার বাস চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। তবে রাঙ্গামাটি রুটের একটি সেতুর সংযোগ সড়ক পাহাড়ি ঢলের তোড়ে ভেঙে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে রাঙ্গামাটির সড়ক যোগাযোগ এখনো বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে বান্দরবানে এ পর্যন্ত পাহাড় ধসে পাঁচজন এবং ঢলের পানিতে ভেসে গিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলার সাতটি উপজেলায় এখনো ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন।

বান্দরবান পৌরসভার প্রশাসক এস এম মনজুরুল হক জানান, বান্দরবানের বন্যা পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। যারা এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন, তাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বিশুদ্ধ পানি ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

প্রতিদিনের বান্দরবান

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬


পানি কমছে সাংগু-মাতামুহুরীর, স্বাভাবিক হচ্ছে বান্দরবান

প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ শেষে রোববার (১২ জুলাই) রাত থেকে বৃষ্টিপাত কমে আসায় বান্দরবান জেলার সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। এর ফলে জেলার প্লাবিত বিভিন্ন এলাকা থেকে ধীরে ধীরে বন্যার পানি নেমে যাচ্ছে।


পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল থেকে বান্দরবানের সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।


 আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবানে ১১৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে বাসিন্দারা তাদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাদা পরিষ্কার করতে শুরু করেছেন। সেই সাথে ভিজে যাওয়া আসবাবপত্র ও মালামাল শুকানোর চেষ্টা করছেন তারা।


এদিকে রাস্তা থেকে পানি সরে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের সরাসরি দূরপাল্লার বাস চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। তবে রাঙ্গামাটি রুটের একটি সেতুর সংযোগ সড়ক পাহাড়ি ঢলের তোড়ে ভেঙে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে রাঙ্গামাটির সড়ক যোগাযোগ এখনো বিচ্ছিন্ন রয়েছে।


প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে বান্দরবানে এ পর্যন্ত পাহাড় ধসে পাঁচজন এবং ঢলের পানিতে ভেসে গিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলার সাতটি উপজেলায় এখনো ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু রেখেছে স্থানীয় প্রশাসন।


বান্দরবান পৌরসভার প্রশাসক এস এম মনজুরুল হক জানান, বান্দরবানের বন্যা পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। যারা এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন, তাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বিশুদ্ধ পানি ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।


প্রতিদিনের বান্দরবান

সম্পাদক ও প্রকাশকের কার্যালয়ঃ
কপিরাইট © ২০২৬ প্রতিদিনের বান্দরবান । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত