প্রতিদিনের বান্দরবান

পাহাড়ি ঢলে লামা ফিসারিজের ২৫ লাখ টাকার মাছ সাবাড়



পাহাড়ি ঢলে লামা ফিসারিজের ২৫ লাখ টাকার মাছ সাবাড়
ছবি: প্রতিদিনের বান্দরবান

টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের লামা উপজেলায় আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে উপজেলার মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে উপজেলার বৃহত্তম মৎস্য খামার ‘লামা ফিসারীস কমপ্লেক্স লিমিটেড’। 

ক্ষতিগ্রস্ত প্রজেক্টটি আজ (১২ জুলাই) রবিবার দুপুরে পরিদর্শনে যান লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন।

খামার কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টির কারণে আকস্মিক বন্যায় ফিসারী কমপ্লেক্সের ১০টি বড় পুকুরের পাড় ভেঙে গেছে। এতে পুকুরে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৩০ লক্ষ মাছের পোনা এবং ১০ টন বড় মাছ পাহাড়ি ঢলের পানিতে ভেসে গেছে।

খামারের মালিক মো. আমির হোসেন দাবি করেন, এই আকস্মিক দুর্যোগে তাদের আনুমানিক ২৫ লক্ষ টাকার সমপরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি এবং পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে পুকুরগুলোর পাড় রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। মুহূর্তের মধ্যে পুরো ফিসারী এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যায়।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত খামার কর্তৃপক্ষ এই বিপুল ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দ্রুত সরকারি প্রণোদনা ও সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। 

উপজেলা মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষীদের তালিকা তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হচ্ছে, যেন তারা দ্রুত সরকারি পুনর্বাসন সহায়তা পেতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন

প্রতিদিনের বান্দরবান

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬


পাহাড়ি ঢলে লামা ফিসারিজের ২৫ লাখ টাকার মাছ সাবাড়

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬

featured Image

টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের লামা উপজেলায় আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে উপজেলার মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে উপজেলার বৃহত্তম মৎস্য খামার ‘লামা ফিসারীস কমপ্লেক্স লিমিটেড’। 


ক্ষতিগ্রস্ত প্রজেক্টটি আজ (১২ জুলাই) রবিবার দুপুরে পরিদর্শনে যান লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মঈন উদ্দিন।


খামার কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টির কারণে আকস্মিক বন্যায় ফিসারী কমপ্লেক্সের ১০টি বড় পুকুরের পাড় ভেঙে গেছে। এতে পুকুরে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৩০ লক্ষ মাছের পোনা এবং ১০ টন বড় মাছ পাহাড়ি ঢলের পানিতে ভেসে গেছে।


খামারের মালিক মো. আমির হোসেন দাবি করেন, এই আকস্মিক দুর্যোগে তাদের আনুমানিক ২৫ লক্ষ টাকার সমপরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি এবং পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে পুকুরগুলোর পাড় রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। মুহূর্তের মধ্যে পুরো ফিসারী এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যায়।


এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত খামার কর্তৃপক্ষ এই বিপুল ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দ্রুত সরকারি প্রণোদনা ও সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। 


উপজেলা মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষীদের তালিকা তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হচ্ছে, যেন তারা দ্রুত সরকারি পুনর্বাসন সহায়তা পেতে পারেন।


প্রতিদিনের বান্দরবান

সম্পাদক ও প্রকাশকের কার্যালয়ঃ
কপিরাইট © ২০২৬ প্রতিদিনের বান্দরবান । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত