বান্দরবানের লামা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় নেকাব এবং হাত-পা মৌজা পরিধান করে ক্লাসে যাওয়ায় দুই ছাত্রীকে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে একই প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক মো. নবীর উদ্দিনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ওই দুই ছাত্রী ধর্মীয় বিধান মেনে নেকাব ও হাত-পা মৌজা পরে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক নবীর উদ্দিন তাদের বাধা দেন এবং পরিচয় শনাক্ত করতে না পারার কারণ দেখিয়ে ভবিষ্যতে মাদ্রাসা ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন।
শিক্ষকের এমন আচরণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এক শিক্ষার্থীর বোন বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার এই পোস্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয় এবং সচেতন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করে বলেন, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হওয়া শিক্ষার্থীদের সাংবিধানিক ও ধর্মীয় অধিকার। পরিচয় শনাক্তকরণের প্রয়োজন হলে তা মার্জিত উপায়ে করা সম্ভব ছিল। কিন্তু পাঠদান থেকে বঞ্চিত করার হুমকি প্রদান অমানবিক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশের পরিপন্থী।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক নবীর উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “শিক্ষার্থী মাদ্রাসার নির্ধারিত ড্রেস কোড মানেনি। আমি তাদের জানিয়েছি, মাদ্রাসার নির্ধারিত পোশাক ছাড়া অন্য কিছু পরে আসলে ভবিষ্যতে ক্লাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।”
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে লামা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা আবু তৈয়ব বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই।” তাই এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
বান্দরবানের লামা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় নেকাব এবং হাত-পা মৌজা পরিধান করে ক্লাসে যাওয়ায় দুই ছাত্রীকে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে একই প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক মো. নবীর উদ্দিনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ওই দুই ছাত্রী ধর্মীয় বিধান মেনে নেকাব ও হাত-পা মৌজা পরে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক নবীর উদ্দিন তাদের বাধা দেন এবং পরিচয় শনাক্ত করতে না পারার কারণ দেখিয়ে ভবিষ্যতে মাদ্রাসা ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন।
শিক্ষকের এমন আচরণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এক শিক্ষার্থীর বোন বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার এই পোস্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয় এবং সচেতন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করে বলেন, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হওয়া শিক্ষার্থীদের সাংবিধানিক ও ধর্মীয় অধিকার। পরিচয় শনাক্তকরণের প্রয়োজন হলে তা মার্জিত উপায়ে করা সম্ভব ছিল। কিন্তু পাঠদান থেকে বঞ্চিত করার হুমকি প্রদান অমানবিক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশের পরিপন্থী।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক নবীর উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “শিক্ষার্থী মাদ্রাসার নির্ধারিত ড্রেস কোড মানেনি। আমি তাদের জানিয়েছি, মাদ্রাসার নির্ধারিত পোশাক ছাড়া অন্য কিছু পরে আসলে ভবিষ্যতে ক্লাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।”
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে লামা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা আবু তৈয়ব বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই।” তাই এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আপনার মতামত লিখুন