প্রতিদিনের বান্দরবান

লামায় ৬০ বছরের ভোগদখলে থাকা বসতভিটা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ



লামায় ৬০ বছরের ভোগদখলে থাকা বসতভিটা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ
ছবি: প্রতিদিনের বান্দরবান

বান্দরবানের লামা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়ায় প্রায় ৬০ বছরের বেশি সময় ধরে ভোগদখলে থাকা একটি বসতভিটা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, তারা পূর্বে যৌথ পরিবার হিসেবে একই বসতভিটায় বসবাস করতেন। পরবর্তীতে আলাদা হয়ে গেলেও সবাই নিজ নিজ অংশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন।

বড় বোন শহর বানু বেগম (৭০)কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন ছোট ভাই মৃত নবি হোসেন এবং সর্বকনিষ্ঠ ভাই মো.শফি আলম।জীবিত অবস্থায় মৃত নবি হোসেন কৌশলে জমির কাগজপত্র নিজের নামে করে নেন।

বর্তমানে তার উত্তরাধিকারীরা ওই জমির একক মালিকানা দাবি করে অন্য দুই ভাই-বোনকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেন। 

শহর বানু বেগম এর বড় ছেলে বশিরুল আলম জানান,আমরা ১৯৭৫ সাল থেকে ২৯৩ নং ছাগলখাইয়া মৌজার হোল্ডিং আর/২৯০ এই বসতভিটায় বসবাস করছি আমার মামা প্রতারণার মাধ্যমে নিজের নামে জমি করে নেন মামার মৃত্যুর পর মামাত ভাইয়েরা গোপনে জমি নামজারী করার চেষ্টা করছে।আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে এবং নিজেদের বসতঘর মেরামত করতেও বাধা দিচ্ছে বৃষ্টির পানি ঘরের ভিতরে পড়লে রাতে কেউ ঘুমাতে পারছিনা। ছোট ছোট বাচ্চা ও বয়স্ক লোকজন নিয়ে রাতে বসে থাকতে হয়। যেকোনো সময় এই ঘর গুলো ভেঙ্গে পড়ার সম্ভাবনা আছে। অনেক বিচার সালিশ হয়েছে, এবং সমাধান ও দেওয়া হয়েছে এই জায়গার বিষয়ে। তারপরও তারা না মানার কারণে আজ এই পরিস্থিতি।  এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ সমাজের মানুষ ও প্রশাসনের লোকজন এই বিষয়ে অবগত আছেন।  

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীরা সুষ্ঠু তদন্ত, হয়রানি বন্ধ এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

প্রতিদিনের বান্দরবান

শনিবার, ০২ মে ২০২৬


লামায় ৬০ বছরের ভোগদখলে থাকা বসতভিটা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬

featured Image

বান্দরবানের লামা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়ায় প্রায় ৬০ বছরের বেশি সময় ধরে ভোগদখলে থাকা একটি বসতভিটা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, তারা পূর্বে যৌথ পরিবার হিসেবে একই বসতভিটায় বসবাস করতেন। পরবর্তীতে আলাদা হয়ে গেলেও সবাই নিজ নিজ অংশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন।

বড় বোন শহর বানু বেগম (৭০)কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন ছোট ভাই মৃত নবি হোসেন এবং সর্বকনিষ্ঠ ভাই মো.শফি আলম।জীবিত অবস্থায় মৃত নবি হোসেন কৌশলে জমির কাগজপত্র নিজের নামে করে নেন।

বর্তমানে তার উত্তরাধিকারীরা ওই জমির একক মালিকানা দাবি করে অন্য দুই ভাই-বোনকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেন। 


শহর বানু বেগম এর বড় ছেলে বশিরুল আলম জানান,আমরা ১৯৭৫ সাল থেকে ২৯৩ নং ছাগলখাইয়া মৌজার হোল্ডিং আর/২৯০ এই বসতভিটায় বসবাস করছি আমার মামা প্রতারণার মাধ্যমে নিজের নামে জমি করে নেন মামার মৃত্যুর পর মামাত ভাইয়েরা গোপনে জমি নামজারী করার চেষ্টা করছে।আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে এবং নিজেদের বসতঘর মেরামত করতেও বাধা দিচ্ছে বৃষ্টির পানি ঘরের ভিতরে পড়লে রাতে কেউ ঘুমাতে পারছিনা। ছোট ছোট বাচ্চা ও বয়স্ক লোকজন নিয়ে রাতে বসে থাকতে হয়। যেকোনো সময় এই ঘর গুলো ভেঙ্গে পড়ার সম্ভাবনা আছে। অনেক বিচার সালিশ হয়েছে, এবং সমাধান ও দেওয়া হয়েছে এই জায়গার বিষয়ে। তারপরও তারা না মানার কারণে আজ এই পরিস্থিতি।  এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ সমাজের মানুষ ও প্রশাসনের লোকজন এই বিষয়ে অবগত আছেন।  

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীরা সুষ্ঠু তদন্ত, হয়রানি বন্ধ এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


প্রতিদিনের বান্দরবান

সম্পাদক ও প্রকাশকের কার্যালয়ঃ
কপিরাইট © ২০২৬ প্রতিদিনের বান্দরবান । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত