প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত শিক্ষিকা, প্রধান শিক্ষকের একরাশ কৃপায় বেতন তুলেন ঠিকই
নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের বান্দরবান ||
বিগত রমজান মাসের আগ থেকেই বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত সহকারী শিক্ষিকা শারমিন আক্তার রিমা। একদিন গিয়ে হাজিরা খাতায় পুরো মাসের স্বাক্ষর করে আসেন এবং বেতনও তুলেন প্রতিমাসে। এমনটি ঘটেছে বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের পাগলীর আগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অভিযুক্ত শারমিন আক্তার রিমাকে ফোন করা হলে ফোন রিসিভ করে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর ফোন কেটে দিয়ে বন্ধ করে দেন। পরে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।বিদ্যালয়টির হাজিরা খাতার কিছু ছবি হাতে আসে প্রতিবেদকের হাতে। এই হাজিরা খাতার ছবি সূত্র খোঁজতে গিয়ে উঠে আসে সহকারী শিক্ষিকা শারমিন আক্তার রিমার দীর্ঘ দিনের এই অনিয়মের কথা।হাজিরা খাতার এক ছবি সূত্রে দেখা যায়, বিগত এপ্রিল মাসে বিদ্যালয়টিতে অর্ধেক মাস পর্যন্ত প্রত্যেক শিক্ষকের নামের পাশে স্বাক্ষর থাকলেও শারমিন আক্তার রিমার নামের পাশে কোন স্বাক্ষর ছিল না। এমনকি প্রধান শিক্ষকও এভসেন্ট বা সিএলাহ কোন কমেন্টও লিখেনি তার নামের পাশে।আরেক ছবি সূত্রে দেখা যায়, এপ্রিল মাস শেষ হতে নাহতেই পুরো মাসের স্বাক্ষর করে দিয়েছেন অভিযুক্ত শিক্ষিকা। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখিসহ এলাকার সচেতন অভিভাবকদের মাঝে কানাঘুষাও চলতে থাকে।পরে ঐ এলাকার বেশ কয়েকজন অভিভাবকের সাথে যোগাযোগ করা হলে বলেন, শারমিন আক্তার রিমা বিগত রমজানের আগে থেকে বিদ্যালয়ে আসেন না। মাঝে মধ্যে এসে বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে নিয়মিত বেতন ঠিকই নেন।কেনো এমনটি করা হলো হলো ফোনে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আব্দুর রহিম হেলালী ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে পরে ফোন দিবেন বলে কেটে দিয়ে বন্ধ করে দেয়।এবিষয়ে লামা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দেবাশিষ বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি আমিও শুনেছি তবে কেউ অভিযোগ করেনি। তারপরও প্রধান শিক্ষকসহ অভিযুক্ত শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিদিনের বান্দরবান
কপিরাইট © ২০২৬ প্রতিদিনের বান্দরবান । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত